এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে ২০১৭ ছিলো ইউটিউব তথা গুগলের জন্য একটি কঠিন বছর। বিভিন্ন রকমের সমস্যায় র্জজরিত হয়ে তা গুগলের বিজ্ঞাপণদাতা এবং কমিউনিটির উপর প্রচন্ড খারাপ অবস্থা ধারণ করেছিলো। গুগল এখন নিশ্চিত করতে চায় যে, ইউটিউব কোন বদমাইশ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জায়গা নয়। গত বছরে গুগল তার বিজ্ঞাপণদাতাদের এধরণের দুষ্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের হাত থেকে রক্ষার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলে, কিন্তু গুগল ভাবছে তা যথেষ্ট নয়। তাই গুগল বিজ্ঞাপণদাতাদের সুরক্ষার জন্য সম্পূর্ণ নতুন এক পদ্ধতি নিয়ে এসেছে, যেমনটা গত বছরের ডিসেম্বরে ঘোষণা দিয়েছিলো। গুগলের প্রণীত এই তিনটি সম্পূর্ণ নতুন বিষয়ের সাথে আপনাদের আজ পরিচয় করিয়ে দেব
——————————
গুগল অনেক কিছু বিবেচনা করে এবং তার বিজ্ঞাপণদাতা ও ক্রিয়েটরদের সাথে লম্বা আলাপ শেষে একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করেছে যে কোন ধরনের কনটেন্টের জন্য বিজ্ঞাপণ দেয়া যেতে পারে। আগে ১০০০০ (দশ হাজার) ভিউ হলেই ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের জন্য কোন চ্যানেল উপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হতো, অর্থাৎ মনিটাইজেশন অন হতো। কিন্তু বিগত বছরের অভিজ্ঞতা থেকে গুগলের এটা বোঝা হয়েছে যে, এই পদ্ধতি মোটেই যথেষ্ট নয় বরং এর চেয়ে ভালো কোন পদ্ধতিতে চ্যানেল নির্বাচন করতে হবে যে কারা বিজ্ঞাপণ পাবে। তাই শুধুমাত্র ভিউই নয়, এর পরিবর্তে কোন চ্যানেলের আকার মানে কতোটা বড়, এর ভিউয়ারসদের দেখানোর ক্ষমতা কতোটুকু, এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরের আচার-আচরণের উপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞাপণ দেয়া হবে।
এজন্য আজ থেকে কোন চ্যানেলকে বিজ্ঞাপণ পেতে হলে বা ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে অংশ নিতে হলে, তথা মনিটাইজেশন অন করতে হলে ১০০০ (এক হাজার) সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ (চার হাজার) ঘন্টা Watch টাইম পেতে হবে, যা ২৪০০০০ হাজার মিনিট এবং তার জন্য এক বছর সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই অর্জনগুলো এক বছরের মধ্যেই হতে হবে। ২০শে ফেব্রুয়ারী ২০১৮ থেকে যেসব চ্যানেলের বর্তমানে মনিটাইজেশন অন আছে সেগুলোর জন্যও এই পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন